৩ ক্যাটাগরিতে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ পেলো ওয়ালটন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি, জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষা এবং বর্ষসেরা টেকসই ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি হিসেবে আবারো ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় টেক জায়ান্ট ও সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের প্রতিনিধিদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ বছর ১৯টি ক্যাটাগরিতে মোট ৪৫৭টি মনোনয়নের মধ্যে কঠোর মূল্যায়নের ভিত্তিতে ওয়ালটনসহ ৫৯টি টেকসই উদ্যোগকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অ্যাওয়ার্ডের চতুর্থ সংস্করণেও (২০২৬) গত বছরের মতো তিনটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে ওয়ালটন। ক্যাটাগরিগুলো হলো—সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি, জলবায়ু ও পরিবেশ, বর্ষসেরা টেকসই ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান।

ওয়ালটনের পক্ষে পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন কোম্পানির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ এবং ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজুসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী বলেন, “তিন ক্যাটাগরিতে এই মর্যাদাপূর্ণ অর্জন ওয়ালটন পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) এবং সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতির আলোকেই ওয়ালটন তার কারখানা ও কর্মক্ষেত্রসহ সর্বত্র পরিবেশবান্ধব সবুজ উন্নয়ন নীতি অনুসরণ করছে।”

তিনি আরও জানান, গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সে বর্তমানে নিজস্ব অর্থায়নে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ইতিমধ্যে ১৯.২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রুফটপ, গ্রাউন্ড মাউন্টেড এবং দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান (ফ্লোটিং) সোলার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হয়েছে, যা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ওয়ালটনের মোট চাহিদার ১৭ শতাংশ পূরণ করছে।

এছাড়াও, পরিবেশ সুরক্ষায় ওয়ালটন তাদের কারখানায় ইটিপির (ETP) মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাতকৃত পানির প্রায় ৭৫ শতাংশ নিরাপদভাবে পুনঃব্যবহার করছে। পাশাপাশি ই-বর্জ্য সংগ্রহ, প্লাস্টিক রিসাইক্লিং ও আপসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে বর্জ্য কমিয়ে সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করছে প্রতিষ্ঠানটি। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগগুলো ওয়ালটনকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই শিল্প ও সামাজিক দায়বদ্ধতার একটি অনন্য মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য, কলামিস্ট, কবি ও সাংবাদিক আমিরুজ্জামান ফারুক আর নেই
পরবর্তী নিবন্ধন্যাশনাল লাইফের বীমা সুবিধার আওতায় এলো শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা