নিউজ ডেস্ক
তরলীকৃত অবস্থায় আমদানি করা প্রাকৃতিক গ্যাস—এলএনজি টার্মিনাল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, ব্যাহত হচ্ছে শিল্প-কারখানার কার্যক্রম এবং ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা— টার্মিনাল চালু হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, বুধবার সকালের মধ্যে বন্ধ হওয়া এফএসআরইউটি চালু হওয়ার কথা।
তবে তিতাস গ্যাস কোম্পানির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে একটি এফএসআরইউ বন্ধ হওয়ায় পাইপে জমে থাকা সব গ্যাস সোমবারের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। তাই আসল সংকট শুরু হবে আজ বুধবার থেকে এবং এফএসআরইউ চালু হলেও এই সংকট শুক্রবারের আগে কাটবে না।
এদিকে সিএনজি বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার সকালে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলেটর এনার্জির এফএসআরইউ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে জাতীয় গ্রিডে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহ কমে যায় দৈনিক ৪৫ কোটি ঘনফুট। সাধারণত দেশে দৈনিক ২৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো। এখন এই গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত।


