রাবির প্রশাসনিক ভবন থেকে ৩ ঘণ্টা পর উদ্ধার ভিসি-প্রোভিসি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবন ঘেরাওয়ের পর ভবনের মেইন গেটে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এতে উপাচার্য এবং উপ-উপাচার্যরা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় তারা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে দাবি মেনে নিলে রাত দেড়টার দিকে তারা মুক্ত হন।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনা ঘটলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলায় হামলাকারীদের অজ্ঞাতনামা করা হয়েছে। তাদের দাবি, হামলার ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিও দেখে হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সম্ভব হলেও তাদের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেই দায়িত্ব শেষ করেছে। এতে তারা সন্তুষ্ট নন। হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী তাদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি জানান তারা।

তালা দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহাদী হাসান বলেন, যেখানে সারাদেশের মানুষ জানে কারা এই নৃশংস হামলা করেছে, এমনকি আমরা দেখলাম কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কয়জনকে বহিষ্কারও করেছে। অথচ প্রশাসন অজ্ঞাতনামা মামলা করেছে, যেটা খুবই হাস্যকর।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ৪৯তম বিসিএস: আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
পরবর্তী নিবন্ধমক্কা চুক্তিতে সৌদি আরবে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-পাকিস্তান