
নিজস্ব প্রতিবেদক
বর্তমান সরকার সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করেন। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এটি কার্যকরা করা হয়েছে। তিনটি ধাপে এই পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।
সূত্র জানায়, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো অনুযায়ী অনলাইনে ফিক্সেশন (বেতন নির্ধারণ) কার্যক্রম ৫ অক্টোবর ২০২৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এবং ২০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ শেষ।
জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৪০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৮ শত এর উপরে শিক্ষক রয়েছেন। সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসে কর্মরত কম্পিউটার অপারেটর মো: দেলোয়ার হোসেন এবং তার সহকর্মীদের নিয়ে অফিসের কর্মঘণ্টা পরেও নিরলস ভাবে সকল শিক্ষকদের পে ফিক্সেশনের কাজ সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষকদের উপচে পড়া ভিড়ে প্রতিদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত এমনকি সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও তিনি নিরলসভাবে শিক্ষকদের কল্যাণে নিঃস্বার্থভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অনেক শিক্ষক তারা ব্যক্তিগতভাবে অনলাইনে কাজ করতে গিয়ে অনেক ভুল ভ্রান্তি হয়েছে সেগুলোও তিনি দ্রুত নিষ্পত্তি করেছেন যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
অফিস সহকারী মোঃ দেলোয়ার হোসেন অফিসের বিভিন্ন কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ” জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬” বিভাগীয় পর্যায়ে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ কর্মচারী নির্বাচিত হয়েছিলেন।
অফিস সহকারী মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, আমার এ সকল কাজের পুরোটাই অংশীদার সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মমতাজ বেগম ও আমাদের সহকর্মীদের। তিনি আরো বলেন , উপজেলা শিক্ষা অফিসার মমতাজ বেগম ব্যক্তিগতভাবে বাদ পড়া শিক্ষকদেরকে দ্রুত পে ফিক্সেশন করার জন্য মোবাইল ফোনে তাগাদা দিয়েছেন এবং শিক্ষকদের গ্রুপেও লিখিতভাবে মেসেজ করেছেন।
বিভিন্ন স্কুল থেকে আসা শিক্ষকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষক জানান, আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা ডিপার্টমেন্টে অনেক বেশি জনবল তা সত্ত্বেও অফিসে পে ফিক্সেশনের কাজ করতে গিয়ে আমাদের কোন হয়রানি হতে হচ্ছে না। উপজেলা শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বেচ্ছা শ্রম দেওয়ার জন্য শিক্ষকবৃন্দ সকলেই প্রশংসা করেন।


