মুকসুদপুরে নিজ অর্থায়নে মাসে ৫০০ অসহায় পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী ও রাস্তা সংস্কার, বাশের সাকো নির্মান

দেলোয়ার হোসেন স্টফ রিপোটার

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় খানজাপুর গ্রামের আবু সাঈদ শেখ ছেলে মোঃ মতিয়ার রহমান শেখ
প্রবাসী নিজ অর্থায়নে দিগনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের চলাচল অনুপযোগী রাস্তা
সংস্কার,,বাশের সাকো নির্মান করাসহ সমাজিক কর্মকাণ্ডের করছেন স্থানীয় সূত্রে জানা যায়
মিড়েরডিঙ্গা,বরইতলা,খানজাপুর,র্সদী গ্রামে খালর উপর বাশের সাকো নির্মান করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে
তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে সাধারণ মানুষের আস্থা
অর্জনের চেষ্টা করে আসছেন। ২নম্বর ওয়ার্ডে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (মেম্বার) পদে
প্রার্থী নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


নিজ উদ্যোগে দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে নিয়মিত মানবিক কার্যক্রম
পরিচালনা করছেন। তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৫০০টি অসহায় পরিবারের মাঝে চাল ডাইল তেল লবন আটা
চিনি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নগদ অর্থ মাদ্রাসা মসজিদদরিদ্র, অসহায় প্রদান করে আসছেন। এছাড়াও
এলাকার বিভিন্ন ছোট ছোট রাস্তা সংস্কার,চলাচলের সুবিধার্থে এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ
করতে স্কুল ভ্যান খেলাধুলার সরঞ্জাম প্রদানসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন
তিনি।এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি হয়েছে।

মোঃ মতিয়ার রহমান
বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি জনগণের দুর্ভোগ দেখে নিজের সামর্থ্য
অনুযায়ী মানুষের সেবা করাই তার প্রধান লক্ষ্য ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রম
অব্যাহত রাখব। নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্য শুধু জনপ্রতিনিধি হওয়া নয়,বরং এলাকার উন্নয়নকে আরও গতিশীল
করা এবং সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা। জনগণের দোয়া ও সমর্থন পেলে
উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃতভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই।


এই বিষয় আতিয়ার রহমান, নান্নু ফকির, রাজীব, কাজী মাহাবুর সহ অনেকে জানান, সামাজিক ও
মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মতিয়ার রহমান ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন।
স্থানীয় উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে
এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের
দৈনন্দিন চলাচলও আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে।দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ মানুষের সাথে কথা বললে তারা
বলেন মতিউর রহমান ভাই আমাদের দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ পরিবাদের মাসিক করে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে
আসতেছে আমাদের উপকার হচ্ছে চেয়ারম্যান,মেম্বর বা অর্থসম্পাদ আছে তারা দরিদ্র, অসহায় মানুষের
জন্য করে না।তারা এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেছেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধএকযোগে ২৭ উপসচিবকে ডিসি অফিসে উপপরিচালক নিয়োগ
পরবর্তী নিবন্ধএকযোগে ৩৬ অতিরিক্ত কর কমিশনার বদলি