নিজস্ব প্রতিবেদক

লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের জাফরনগর ভূঁইয়া বাড়ির সমাজসেবী সামছুল আলম (বাচ্চু আমিন) আর নেই। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনগত রাত পৌনে ১২টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকায় তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নলিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।কর্মজীবনের শুরুতে সামছুল আলম সেনাসদস্য ছিলেন। সেনাজীবন শেষে ১৯৮৪ সাল থেকে নিজ গ্রামীণ জনপদে তিনি ভূমি জরিপকারক (আমিন) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এই সময়ে নিজ এলাকায় তিনি বাচ্চু আমিন নামে সুপরিচিত ছিলেন।
প্রায় চার দশকের এই পেশা জীবনে ভূমি জরিফকারীর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি নানামুখী সমাজসেবামূলক কাজে জড়িত হন। বিশেষ করে স্থানীয় সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ দল্টা কলেজ (পরবর্তীতে দল্টা ডিগ্রি কলেজ) ও দল্টা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপনকালে ভূমিজটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই সমাজসেবী।
আজ শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাদ জুম্মা পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। রাজনৈতিক – সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি – পেশার মানুষ জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই কন্যা, চার ছেলে, নাতি-নাতনী ও অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে যান।
মরহুম সামছুল আলমের বড় ছেলে জাতীয় দৈনিক খবরের কাগজের সাংবাদিক।সামছুল আলমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম। ফোরামের দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল আলমের পিতার মৃত্যুতে সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াছিন ও সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না এক শোকবার্তায় মরহুমকে ‘সমাজসেবী ও মানবহিতৈষী’ উল্লেখ করে তার কর্মময় জীবনের কথা স্মরণ করেন।


