আরেফিন মুক্তা- মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:

কওমি মাদ্রাসার শ্রেণীকক্ষ থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারগোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে শুভম কওমি মাদ্রাসার জানালার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় হুসাইন কাজী (১১) নামের এক শিক্ষার্থী মরদেহ উদ্ধার করেছে মুকসুদপুর থানা পুলিশ।
নিহত হুসেইন কাজী উপজেলার বহুগ্রাম ইউনিয়নের বলনারায়ন গ্রামের পলাশ কাজীর ছেলে। সে সু, গ, ম কওমি মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র ছিল।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম গোপীনাথপুরের সু, গ, ম কওমি মাদ্রাসা থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, আসরের নামাজের সময় ঐ কক্ষের সব ছাত্র যখন নামাজে যায় হুসাইন ২য় তালার ৬ নম্বর কক্ষের দরজা ভিতর থেকে আটকে দিয়ে জানালার সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এসময় একজন ছাত্রের অভিভাবক তার বাচ্চার কাপড় নিতে গিয়ে দরজা ভিতর থেকে আটকে রাখা দেখে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় হুসাইনকে দেখে চিৎকার দিলে মাদ্রাসার লোকজন আসে।
পরবর্তী সময়ে মুকসুদপুর ফায়ার সার্ভিস জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢুকে হুসাইনের লাশ উদ্ধার করে।মুকসুদপুর থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান।


