টিকাকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত, তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুরে মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সরকার বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। এ ঘটনায় জড়িতদের পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতে আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজে যাদের নাম বা পরিচয় পাওয়া গেছে, তাদের কেন এখনো গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, পুরো বিষয়টি একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যম তাদের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে যাদের বিষয়ে তথ্য পেয়েছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পুলিশের তদন্তের বিকল্প নয়। পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত চার্জশিট হবে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, এলপিজির বর্তমান আমদানি, মজুদ ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দেশে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররাও জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই।
তিনি বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে।

চলতি সেপ্টেম্বরের ২৯ তারিখ পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও এরই মধ্যে কোথাও কোথাও এলপিজির দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এ ধরনের খবর গণমাধ্যমেও এসেছে। তাই অসাধু উদ্দেশ্যে কেউ যেন এলপিজি মজুদ করে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রবণতা রয়েছে। এ কারণে কেউ কেউ মজুদ করার চেষ্টা করতে পারেন। তবে কৃত্রিম সংকট তৈরির উদ্দেশ্যে মজুদদারি করা হলে সরকার এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

পূর্ববর্তী নিবন্ধদুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করতে কমিটি, বিদেশ ভ্রমণে লাগাম টানার নির্দেশ
পরবর্তী নিবন্ধবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কিছু চ্যালেঞ্জ আছে: হুমায়ুন কবির