আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও কয়লার দাম বর্তমান পর্যায়ে থাকলে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে আমদানি ব্যয় গত বছরের (২০২৫ সালের) তুলনায় সর্বোচ্চ ২৮০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বাড়তে পারে।
এতে দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, মূল্যস্ফীতি ও টাকার ওপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।মূলত এলএনজি আমদানি নির্ভরতার কারণে এ সংকট ঘনীভূত হয়েছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা জিরো কার্বন অ্যানালিটিকস (জেডসিএ)-এর এক বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সংস্থাটির বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত যে অর্থ ব্যয় হতে পারে, তা দিয়ে প্রায় ৮ গিগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা সম্ভব। এই পরিমাণ সৌরবিদ্যুৎ দেশের বর্তমান প্রায় ৩২ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার সঙ্গে আরও প্রায় ২৫ শতাংশ সক্ষমতা যোগ করতে পারে।
এলএনজি আমদানি কমেছে, ব্যয় কমেনিচলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের এলএনজি আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে। সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে জুলাই ও আগস্টে। এ সময়ে হরমুজ প্রণালিতে সরবরাহ বিঘ্নের কারণে এলএনজি আমদানি প্রায় ৮৩ শতাংশ কমে যায়।


