নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা-কলকাতা রুটের মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে শিগগিরই সুখবর আসতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর বিষয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আর মনে হচ্ছে খুব শিগগিরই আমরা একটা ভালো খবর দিতে পারব মৈত্রী এক্সপ্রেসের বিষয়ে।’
ট্রেনটি কবে থেকে চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তারিখ যেকোনো সময় ঘোষণা হতে পারে বলে জানান তিনি।
হাইকমিশনার বলেন, ‘খুব শিগগিরই আমরা একটা ফিক্সড ডেট দিয়ে দিতে পারব।’
দুই দেশের যোগাযোগব্যবস্থা আরও সহজ করার বিষয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘একটি রুটে এখন ছয় থেকে সাত ঘণ্টা লাগছে, কীভাবে তিন ঘণ্টা কমানো যায় সেটি নিয়ে মন্ত্রী কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে, পদ্মা সেতু নিয়ে টেকনিক্যালি কথা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘কিন্তু ভালো কথা এটা যে, শিগগিরই আমরা একটা ফিক্সড ডেট দিয়ে দিতে পারব। এখনও মিটিং চলছে।’
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে ফেরত এবং তার কথা বলার বিষয়ে জানতে চাইলে এই তিনি বলেন, ‘পলিটিক্যাল কথা নিয়ে একটা আলাদা বিষয় রয়েছে। এর মধ্যে অনেক কথাবার্তা হয়েছে, আমি এর মধ্যে আজকে ঢুকতে চাই না। আজকে যা হয়েছে, ওইটা গভীর। আজকে যা কথা হয়েছে, ওইটা সাধারণ মানুষকে নিয়ে।’
এর আগে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে ভারতের চলমান বিভিন্ন কাজ ও সেগুলোর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাজ চলমান রয়েছে। তার আবার অগ্রগতিরও প্রয়োজন আছে। কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে আরও দুই দেশকে লাভবান করা যায়, দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্য, যোগাযোগ, অর্থনীতি এগুলো কীভাবে প্রসারিত করা যায়, সে বিষয়ে খুব ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে উনি এসেছেন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও সেগুলোকে খুব ইতিবাচকভাবে দুই দেশের স্বার্থে কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলো নিয়ে কিছুটা কথা বলেছি।’
তিনি জানান, বিশেষ করে যোগাযোগ খাতে ট্রেন, সড়ক ও স্থলবন্দর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসব খাতে অনেক কাজ চলমান রয়েছে। মালবাহী ট্রেন চালু থাকার পাশাপাশি এর সক্ষমতাও বেড়েছে এবং পরিবহন সক্ষমতা আরও বাড়ছে।
যাত্রীবাহী ট্রেন বর্তমানে বন্ধ থাকার কথা উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘অ্যাট দ্য সেম টাইম, যাত্রীবাহী ট্রেনটা এই মুহূর্তে বন্ধ রয়েছে। তো সেটা কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয় নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে একটু কথা হয়েছে।’


