নিউজ ডেস্ক
ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি লিকুদ পার্টি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সপ্তম মাসে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও চাপে পড়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, ইসরায়েলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এত বাধা সত্ত্বেও তিনি শক্তিশালী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চাপের কাছে নতি স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু যাতে আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, সে জন্য তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহু বা তার দলের নির্বাচনী অবস্থান কতটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে।
বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ইসরায়েলে সরাসরি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা হয়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই হবে ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। পরে লেবানন ও ইরানকে ঘিরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে।
এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করতে পারে, ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় সময় পার করে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকবেন, নাকি মধ্যপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পরাজিত হবেন। বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।া
ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি লিকুদ পার্টি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সপ্তম মাসে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও চাপে পড়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, ইসরায়েলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এত বাধা সত্ত্বেও তিনি শক্তিশালী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চাপের কাছে নতি স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু যাতে আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, সে জন্য তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহু বা তার দলের নির্বাচনী অবস্থান কতটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে।
বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ইসরায়েলে সরাসরি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা হয়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই হবে ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। পরে লেবানন ও ইরানকে ঘিরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে।
এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করতে পারে, ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় সময় পার করে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকবেন, নাকি মধ্যপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পরাজিত হবেন। বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।া
ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি লিকুদ পার্টি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সপ্তম মাসে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও চাপে পড়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, ইসরায়েলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এত বাধা সত্ত্বেও তিনি শক্তিশালী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চাপের কাছে নতি স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু যাতে আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, সে জন্য তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহু বা তার দলের নির্বাচনী অবস্থান কতটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে।
বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ইসরায়েলে সরাসরি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা হয়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই হবে ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। পরে লেবানন ও ইরানকে ঘিরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে।
এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করতে পারে, ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় সময় পার করে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকবেন, নাকি মধ্যপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পরাজিত হবেন। বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।া
ইসরায়েলের আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে দেশটির দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী ২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি লিকুদ পার্টি কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক হামলায় অংশ নেওয়ার জন্যও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতিত্ব দেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সপ্তম মাসে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে। এ যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিও চাপে পড়েছে।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেন, ইসরায়েলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়েছেন নেতানিয়াহু। এত বাধা সত্ত্বেও তিনি শক্তিশালী, সাহসী ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। কঠিন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চাপের কাছে নতি স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছেন বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইসরায়েলের জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু যাতে আবারও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন, সে জন্য তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের এই সমর্থন নেতানিয়াহু বা তার দলের নির্বাচনী অবস্থান কতটা শক্তিশালী করবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় ইসরায়েলি জনগণের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমেছে।
বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত স্পষ্ট সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ইসরায়েলে সরাসরি জনগণের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন না। পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের মধ্যে জোট গঠনের মাধ্যমে সরকার গঠন করা হয়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর এটিই হবে ইসরায়েলের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ওই হামলার পর ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করে। পরে লেবানন ও ইরানকে ঘিরেও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে, যা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে অস্থির করে তোলে।
এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করতে পারে, ইসরায়েলের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সংকটময় সময় পার করে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় টিকে থাকবেন, নাকি মধ্যপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে পরাজিত হবেন। বিরোধী নেতারা ক্ষমতায় এলে দেশটিতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।


