আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ১৭৭ অস্থায়ী কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী হিসেবে কর্মরত আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৭৭ জন কর্মচারীর চাকরি
স্থায়ী করা হয়েছে। ব্যাংকের কর্মচারী কল্যাণ ইউনিয়ন (সিবিএ বি-২২৪১)-এর দীর্ঘদিনের দাবির
পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থানের
অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে।

স্থায়ীকৃতদের মধ্যে অনেকেই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কর্মরত রয়েছেন।
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চাকরি স্থায়ীকরণের এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। এর ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের
কর্মজীবনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে স্বস্তি, আত্মবিশ্বাস ও নতুন
কর্মউদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।


চাকরি স্থায়ীকরণের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কর্মচারী কল্যাণ ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ মাজেদুল
ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী হিসেবে কর্মরত আমাদের সহকর্মীদের চাকরি স্থায়ী হওয়া অত্যন্ত
আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এর মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার অবসান হয়েছে এবং কর্মজীবনে
স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। আমরা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এ ইতিবাচক ও মানবিক সিদ্ধান্তকে
আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই। এ সিদ্ধান্তের জন্য আমরা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও
কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা বিশ্বাস করি, এ সিদ্ধান্ত কর্মীদের মনোবল ও কর্মস্পৃহা আরও বাড়াবে
এবং তারা ব্যাংকের প্রতি আরও দায়িত্বশীল ও আন্তরিক থেকে কাজ করবেন।”


কর্মচারী কল্যাণ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন বলেন, “১৭৭ জন অস্থায়ী সহকর্মীর চাকরি
স্থায়ীকরণ তাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন। এ সিদ্ধান্ত কর্মীদের মধ্যে নতুন
আস্থা ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। আমরা আশা করি, স্থায়ীকৃত সহকর্মীরা তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা,
দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের সেবার মানোন্নয়ন এবং সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায়
আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। কর্মচারীদের কল্যাণের পাশাপাশি ব্যাংকের সার্বিক স্বার্থে কর্মচারী
কল্যাণ ইউনিয়ন ভবিষ্যতেও দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।”


কর্মচারী কল্যাণ ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন অস্থায়ী হিসেবে
কর্মরত কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের ফলে তাদের মধ্যে স্বস্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছে। তারা
আশা প্রকাশ করেন, এ সিদ্ধান্ত ব্যাংকের কর্মপরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং কর্মীদের
দায়িত্ববোধ, কর্মস্পৃহা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি অঙ্গীকার আরও বৃদ্ধি করবে। স্থায়ীকৃত কর্মচারীরা তাদের
অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার মাধ্যমে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের উত্তরোত্তর উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধআসিফ নজরুলের নির্দেশেই ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ